Dhaka , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশে মে মাসের প্রথম ৪ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫.৬ কোটি ডলার মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় লিমন-বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে জনগণের রায়ে নয় বরং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পরাজিত করা হয়েছে সুন্দরবনে পর্যটকদের ওপর হামলাও ডাকাতির চেষ্টা, আটক ২ স্থানীয় সরকার নির্বাচন বছরের শেষ দিকে: তথ্য উপদেষ্টা চুক্তি নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর “ডিসিদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী ও শক্তিশালী করতে” শ্যামনগরে অপহৃত পশু চিকিৎসক উদ্ধার: আটক ৩, মূলহোতা পলাতক চেয়ারম্যানকে ঘিরে নানা প্রশ্ন পদ্ম ফুটেছে পশ্চিমবঙ্গে, জনতার শক্তি জয়ী হয়েছে: নরেন্দ্র মোদী একদিনে ১৭ শিশুর মৃত্যু

রোমানিয়া অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সুখবর দিলো 

ডেক্স নিউজ :

বাংলাদেশি কর্মীদের সুখবর দিল রোমানিয়া। দেশটিতে বসবাসরত নন-ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশের অবৈধ কর্মীদের শর্তসাপেক্ষে বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়ে একটি জরুরি অধ্যাদেশ জারি করেছে রোমানিয়া সরকার।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বুখারেস্টে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ খবর নিশ্চিত করেছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) অফিশিয়াল গেজেটে এ ‘রাজক্ষমা’ (এমনেস্টি) কর্মসূচির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত ৩২ নম্বর জরুরি অধ্যাদেশের ৫২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যেসব বিদেশি কর্মী বৈধভাবে রোমানিয়ায় প্রবেশ করার পর বিভিন্ন কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ হয়ে পড়েছেন, তারা এ বিশেষ সুবিধার আওতায় পড়বেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুযোগ কার্যকর থাকবে।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশি কর্মীরা ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে রোমানিয়ায় গেলেও কোম্পানি নিয়োগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মসংস্থান না মেলায় তারা অবৈধ হয়ে পড়েন। এছাড়া অনেক সময় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্মীর বেতন থেকে ট্যাক্স কেটে রাখলেও তা সরকারি কোষাগারে জমা দেয় না কিংবা সময়মতো টিআরসি (টেম্পোরারি রেসিডেন্স কার্ড) আবেদন করে না। এমন পরিস্থিতির শিকার হয়ে যারা ‘অনিচ্ছাকৃত’ অবৈধ হয়েছেন, তাদের জন্যই এ রাজক্ষমা।

নতুন আইনের সুযোগ নিতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে আইন কার্যকর হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে রোমানিয়া ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারীকে অবশ্যই একজন নতুন ও বৈধ নিয়োগকর্তা খুঁজে নিতে হবে। ওই নিয়োগকর্তার অধীনে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার পর টিআরসি কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে।

দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই সুবিধা সবার জন্য নয়। যারা এরইমধ্যেই ‘রিটার্ন ডিসিশন’ বা দেশত্যাগের নির্দেশ পেয়েছেন অথবা যারা অবৈধভাবে (অনুপ্রবেশ) রোমানিয়ায় প্রবেশ করেছেন, তারা এই ক্ষমার আওতায় পড়বেন না। এ বিষয়ে রোমানিয়া ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

যেহেতু এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি ব্যবস্থা, তাই প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যেকোনো প্রয়োজনে বুখারেস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এ ইতিবাচক উদ্যোগের ফলে কয়েক হাজার বাংলাদেশি কর্মী তাদের ভাগ্য ফেরানোর নতুন সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
৯ Time View

রোমানিয়া অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সুখবর দিলো 

Update Time : ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

বাংলাদেশি কর্মীদের সুখবর দিল রোমানিয়া। দেশটিতে বসবাসরত নন-ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশের অবৈধ কর্মীদের শর্তসাপেক্ষে বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়ে একটি জরুরি অধ্যাদেশ জারি করেছে রোমানিয়া সরকার।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বুখারেস্টে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ খবর নিশ্চিত করেছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) অফিশিয়াল গেজেটে এ ‘রাজক্ষমা’ (এমনেস্টি) কর্মসূচির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত ৩২ নম্বর জরুরি অধ্যাদেশের ৫২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যেসব বিদেশি কর্মী বৈধভাবে রোমানিয়ায় প্রবেশ করার পর বিভিন্ন কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ হয়ে পড়েছেন, তারা এ বিশেষ সুবিধার আওতায় পড়বেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুযোগ কার্যকর থাকবে।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশি কর্মীরা ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে রোমানিয়ায় গেলেও কোম্পানি নিয়োগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মসংস্থান না মেলায় তারা অবৈধ হয়ে পড়েন। এছাড়া অনেক সময় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্মীর বেতন থেকে ট্যাক্স কেটে রাখলেও তা সরকারি কোষাগারে জমা দেয় না কিংবা সময়মতো টিআরসি (টেম্পোরারি রেসিডেন্স কার্ড) আবেদন করে না। এমন পরিস্থিতির শিকার হয়ে যারা ‘অনিচ্ছাকৃত’ অবৈধ হয়েছেন, তাদের জন্যই এ রাজক্ষমা।

নতুন আইনের সুযোগ নিতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে আইন কার্যকর হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে রোমানিয়া ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারীকে অবশ্যই একজন নতুন ও বৈধ নিয়োগকর্তা খুঁজে নিতে হবে। ওই নিয়োগকর্তার অধীনে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার পর টিআরসি কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে।

দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই সুবিধা সবার জন্য নয়। যারা এরইমধ্যেই ‘রিটার্ন ডিসিশন’ বা দেশত্যাগের নির্দেশ পেয়েছেন অথবা যারা অবৈধভাবে (অনুপ্রবেশ) রোমানিয়ায় প্রবেশ করেছেন, তারা এই ক্ষমার আওতায় পড়বেন না। এ বিষয়ে রোমানিয়া ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

যেহেতু এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি ব্যবস্থা, তাই প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যেকোনো প্রয়োজনে বুখারেস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এ ইতিবাচক উদ্যোগের ফলে কয়েক হাজার বাংলাদেশি কর্মী তাদের ভাগ্য ফেরানোর নতুন সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।